Academy

বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান অপু। সে মেধাবী কিন্তু স্বার্থপর এবং অহঙ্কারী। সমাজের কোনো কাজে সে দায়িত্ব নেয় না। কোনো সেবামূলক সংগঠনে সে যোগ দেয় না। অপুর বাবা মায়ের খুব ইচ্ছা সে পরিবার এবং সমাজের কাজে দায়িত্ববান হবে।

অপুর বাবা মা অপুর কোন ধরনের মুক্তি কামনা করে বলে তুমি মনে কর? তোমার যুক্তি দেখাও। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

খ্রিষ্টভক্ত হিসেবে আমাদের মুক্তির প্রথম অর্থ হলো যীশুকে মুক্তিদাতারূপে গ্রহণ করা, বিশ্বাস করা ও তার শিক্ষা অনুসারে জীবনযাপন করা। যীশুর নির্দেশিত পথে চললে আমরা সব ধরনের মুক্তি লাভ করতে পারি। তাই আমি মনে করি অপুর বাবা মা অপুর ক্ষেত্রে যীশুর মুক্তি লাভের উপায় কামনা করে বলে। এ ক্ষেত্রে আমার যুক্তি হলো-

যীশু এ পৃথিবীতে এসেছিলেন মানুষকে জীবন দিতে, শারীরিক রোগ যন্ত্রণা বা দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্ত করতে; তিনি পিতার ভালোবাসা সবার কাছে প্রকাশ করতে চেয়েছেন এবং তাঁর মুখের কথায় মানুষকে নানারকম রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত করেছেন। তিনি পঙ্গকে হাঁটার ক্ষমতা, দৃষ্টিহীনকে দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধীকে বাক ও শ্রবণশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন, সমাজে উপেক্ষিত ও অবহেলিত কুষ্ঠরোগীকে তিনি নিরাময় করে সুস্থ ও সুন্দর জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন। তারা মুক্তি লাভ করেছে। নিরাময়তা ও মুক্তিলাভের পর তারা হয়ে উঠেছে খ্রিষ্টবিশ্বাসী। অপুর মা বাবাও চান অপু যীশুর যোগ্য ভক্ত হোক।

মানুষ তখন অপুর মতো নানারকম আত্মদ্বন্দ্ব, ভয়, হিংসা, অহঙ্কার, স্বার্থপরতার বেড়াজালে আটকে গিয়েছিল। যীশু মানুষের মনের দ্বন্দ্ব নিরসন করে, তার মনের ভয়ভীতি, হিংসা, অহঙ্কার, লোভলালসা ও স্বার্থপরতার বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে স্বাধীন ও আনন্দময় জীবনদান করতে এবং মানুষের মন থেকে পাপকালিমা মুছে দিতে চেয়েছেন। যারা তাকে বিশ্বাস করে তারা সেই স্বাধীন ও আনন্দময় জীবন লাভ করে; অপুর মা বাবাও কামনা অপু এমন হোক।

খ্রিষ্ট নিজেই মুক্তচিন্তার মানুষ ছিলেন, তিনি স্বাধীনভাবে তার চিন্তা, ধারণা, মতামত প্রকাশ করেছেন বলেই ইহুদিরা তাঁকে হত্যা করেছিল। কারণ তিনি যা সত্য বলে জানতেন ও বিশ্বাস করতেন তা-ই প্রকাশ্যে বলতেন। যীশু চান আমরাও যেন মুক্তচিন্তার মানুষ হয়ে উঠি, চিন্তাচেতনার মধ্যে সেই মুক্ত মানুষের রূপ প্রতিফলিত করি। অপুর বাবা মাও অপুকে মুক্ত চিন্তার মানুষরূপে দেখতে চান।

মানুষের অন্তর বা আত্মা হলে মুক্তির ভিত্তি, অর্থাৎ আধ্যাত্মিক মুক্তি লাভ করলে মানুষ প্রশান্তি লাভ করে। খ্রিষ্ট নিজেই আমাদের এ প্রশান্তি ও মুক্তির জন্য আহ্বান করেন। তিনি বলেন, "ওহে পরিশ্রান্ত, ওহে ভারাক্রান্ত, আমার কাছে এসো, আমি তোমাকে দিব প্রাণের আরাম।" অপুর বাবা মা চান অপু এমন আহ্বানে সাড়া দিক।

যীশু এসেছিলেন পদদলিত মানুষকে উন্নীত করতে, সামাজিকভাবে যারা উপেক্ষিত, নিগৃহীত তাদের উপরে তুলে ধরতে, অর্থাৎ মর্যাদার স্থানে উন্নীত করতে; তিনি এসেছিলেন সমাজের বতি, শোষিত, অত্যাচারিত, নির্যাতিতদের পক্ষ নিতে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং সামাজিক ন্যায্যতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। একজন খ্রিষ্টভক্ত সামাজিক মুক্তি কামনা করে এবং সামাজিক ন্যায্যতার মাধ্যমে মুক্তি ও স্বাধীনতা লাভ করে। অপুর বাবা মা চান অপু তেমন একজন খ্রিষ্টভক্ত হোক।

যীশু এ পৃথিবীতে এসেছিলেন দীনদরিদ্রদের কাছে মঙ্গলবার্তা প্রচার করতে; দরিদ্র ও ক্ষমতাহীনদের পক্ষ নিয়ে তিনি কাজ করেছেন এবং ক্ষমতা ও অর্থলোভী মানুষদের তিনি ধিক্কার দিয়ে কথা বলেছেন। ধনী লোক ও গরিব লাজারের গল্প বলে মানুষের জীবনে মুক্তির প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়েছেন। বর্তমানেও খ্রিষ্টভক্তরা অর্থনৈতিক মুক্তি লাভ করে, দারিদ্র বিমোচন করে, সমাজের দরিদ্র মানুষের মুক্তি আনয়ন ও স্বাধীন জীবন কামনা করে। অপুর বাবা-মা অপুর এরকম খ্রিষ্টভক্ত হওয়া কামনা করেন। মূলকথা: মুক্তি লাভের মধ্য দিয়ে একজন খ্রিষ্টভক্ত ঈশ্বরকে লাভ করার বিষয়টিকে পরম প্রাপ্তি বলে স্বীকার করে।

1 year ago

খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা

✝️ খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা – নবম-দশম শ্রেণি | SSC | NCTB অনুমোদিত

আপনি কি খুঁজছেন “খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা নবম-দশম শ্রেণি PDF”, সহজ ব্যাখ্যা, বা MCQ ও CQ প্রশ্ন–উত্তর?

SATT Academy–তে আপনাকে স্বাগতম! এখানে পাবেন অধ্যায়ভিত্তিক সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার, এবং PDF ডাউনলোড সুবিধা — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!


📘 অধ্যায়ের প্রধান বিষয়সমূহ:

  • খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস ও মৌলিক বিশ্বাস
  • বাইবেলের গুরুত্ব ও মূল বাণী
  • ঈশ্বরের প্রেম ও মানবতার প্রতি দায়িত্ব
  • খ্রিষ্ট ধর্মে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ
  • যীশু খ্রিষ্টের জীবন ও শিক্ষণীয় আদর্শ
  • খ্রিষ্টধর্মে করুণা, ক্ষমা ও পারস্পরিক সম্মান
  • ধর্মীয় উৎসব ও চার্চের ভূমিকা সমাজে

✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ও পরিষ্কার ব্যাখ্যা
  • বোর্ড পরীক্ষা অনুযায়ী CQ ও MCQ প্রশ্ন–উত্তর
  • লাইভ টেস্ট – নিজের প্রস্তুতি যাচাইয়ের জন্য
  • ভিডিও লেকচার ও অডিও ব্যাখ্যা
  • সরকারি PDF ডাউনলোড লিংক
  • কমিউনিটি সম্পাদিত ও যাচাইকৃত কনটেন্ট

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা – নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড

(লিংকে ক্লিক করে বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 উপকারিতা:

  • SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য: পরীক্ষার জন্য উপযোগী সাজানো কনটেন্ট
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে পড়ানোর জন্য সহায়ক উপকরণ
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানের পড়াশোনায় গাইড হিসেবে
  • টিউটর ও কোচিং শিক্ষকদের জন্য: প্রশ্ন ও রিভিশন উপকরণ

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • অধ্যায় তালিকা থেকে প্রয়োজনীয় অধ্যায় নির্বাচন করুন
  • প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন
  • লাইভ টেস্টে অংশ নিয়ে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন
  • প্রয়োজন হলে PDF ডাউনলোড করুন
  • ভিডিও লেকচার দেখুন ও নিজে শেখান

✨ কেন SATT Academy?

✔️ ১০০% ফ্রি ও ব্যবহার বান্ধব প্ল্যাটফর্ম
✔️ NCTB বইয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কনটেন্ট
✔️ লাইভ টেস্ট, ভিডিও, অডিও ও ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার
✔️ মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
✔️ কমিউনিটি দ্বারা সম্পাদিত ও যাচাইকৃত তথ্য


🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা নবম দশম শ্রেণি
  • Christian Religion and Moral Education Class 9 10
  • SSC Christian Moral Education PDF
  • CQ MCQ Christian Religion SSC
  • NCTB Christian Moral Education Class 9 10
  • SATT Academy Christian Religion

🚀 এখনই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর, ভিডিও ব্যাখ্যা ও PDF সহ খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা–এর পড়াশোনা শুরু করুন — সবার জন্য বিনামূল্যে।

✝️ SATT Academy – আধুনিক ও সহজ শিক্ষার সেরা সঙ্গী।

Content added By

Related Question

View More

স্বাধীনতা বা মুক্তি লাভ বলতে বোঝায়, আমরা যা খুশি তাই করতে পারি কিংবা যেকোনো ধরনের স্বেচ্ছাচারী আচরণ করতে পারি। প্রকৃত স্বাধীনতা কিন্তু কখনো তা নয়। 'স্বাধীনতা' শব্দটির মধ্যেই এর প্রকৃত অর্থ নিহিত আছে। স্বাধীনতা মানে হলো স্ব-অধীনতা বা নিজের অধীনতা। নিজের অধীনতা বলতে আমরা বুঝি নিজেকে দমন করার ক্ষমতা। অর্থাৎ যা কিছু মন্দ বা খারাপ এবং যা কিছু অন্যের জন্য কোনো রকম কল্যাণ বয়ে আনে না, তা কখনো স্বাধীনতা হতে পারে না।

 মূলকথা: স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছা তা করা নয় বরং নিজের অধীনতা।

উদ্দীপকে হৃদয়ের মধ্যে যীশুর শিক্ষা মুক্ত মানুষ হয়ে ওঠার অন্যতম দিক 'মানুষ ও সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ' ফুটে উঠেছে।

 ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো মানুষ। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং মানুষের জন্য বিচিত্র সব সৃষ্টি করেছেন। চারদিকে তাকালে আমরা এসব অপূর্ব সৃষ্টি দেখতে পাই। মানুষ ও বিশ্বসৃষ্টিকে ভালোবেসে আমরা ধীরে ধীরে স্বাধীন হয়ে উঠতে পারি। কারণ মানুষকে ভালোবাসলে আমরা কখনো কারও অকল্যাণ কামনা করতে পারি না। সৃষ্টিকে ভালোবাসলে আমরা সৃষ্টির সুন্দর দিকটি উপলদ্ধি করতে পারি। মানুষ ও, সৃষ্টির মধ্য দিয়ে আমরা যখন সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের সাধনা করি, আমরা নিজের অজান্তেই তখন স্বাধীন বা মুক্ত হই। সবার সাথে যুক্ত হয়েই আমরা মুক্ত হয়ে উঠি। এ ধারণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে গ্রামের ধর্ম, বর্ণ, ধনী, গরিব পাপী, সাধু, নারী, পুরুষ প্রত্যেকের সঙ্গেই হৃদয় সদ্ভাব বজায় রেখেছেন। নিজের গ্রামের উন্নয়নের জন্য নৈশবিদ্যালয়, রাস্তা সংস্কার, সেবাকেন্দ্র ইত্যাদি কল্যাণমূলক কাজ করেছেটির প্রতি শ্রদ্ধাবোদের কাছে তিনি সমাদৃত হন। এভাবে তিনি স্বাধীন হয়ে ওঠেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে যীশুর শিক্ষা মানুষ ও সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে হৃদয়ের স্বাধীন হয়ে ওঠার দিকটি ফুটে ওঠে। মূলকথা: মানুষকে ভালোবেসে স্বাধীন হওয়া যায়।

 

স্বাধীন বা মুক্ত হওয়ার জন্য হৃদয়ের এই একটি দিকই যথেষ্ট নয়। তাকে যীশুর দেওয়া আরও কিছু শিক্ষা অর্জন করতে হবে। মানুষ কী করে স্বাধীন হতে পারে, সে বিষয়ে যীশু আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন। এক্ষেত্রে প্রথমে নিজের সম্পর্কে জানার শিক্ষা মায়েছেন। কারণ নিজেকে জানতে পারলে আমাদের ভুল ধারণার অবসান হয়, এতে আমরা নিজের সম্বন্ধে একটি সত্যকে গ্রহণ দিয়েছো আমাদের স্বাধীন করে তুলতে সহায়তা করে। তাছাড়া স্বাধীনতার প্রধান বাধা হলো ভয়। ভয়ের কারণে মানুষ মিথ্যা বলে কানিজের আসল সত্ত্বাকে প্রকাশ করতে পারে না। তাই হৃদয়কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং ভয়মুক্ত হতে হবে। ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস ও আস্থা রাখতে হবে। কারণ ঈশ্বর নিজেই আমাদের পবিত্র আত্মা ও স্বাধীনতা দান করেছেন। দায়িত্বশীল ও পরিপক্ আচরণ মানুষকে স্বাধীন করে তোলে। সঠিক সিদ্ধান্ত ও আচরণের মধ্য দিয়ে আমরা মুক্ত মানুষ হয়ে উঠি। তাই হৃদয়কে দায়িত্বশীলতা ও পরিপক্বতা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে তা কাজে লাগাতে হবে। দায়িত্বশীল ও পরিপক্ক মানুষ নিজের ভুলগুলোও সহজে স্বীকার ও গ্রহণ করতে পারে বা এগুলোকে জীবনের অংশ মনে করে। হৃদয়কে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে হবে। ভালো মন্দের বিচারবোধ জাগ্রত করতে হবে। সুতরাং বলা যায়, হৃদয়ের এ একটি দিকে কাজ করলেই হবে না, তাকে স্বাধীন বা মুক্ত হওয়ার জন্য আরও বেশ কয়েক ধরনের কাজ করে যেতে হবে। তাহলেই মুক্তি আসবে।

মূলকথা: যীশুর দেওয়া শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে মানষ পূর্ণ স্বাধীন হয়ে উঠতে পারে।

মানুষকে পূর্ণ স্বাধীন হওয়ার জন্য যীশু যেসব বিষয়ে শিক্ষা দিয়েছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো ভালো ও মন্দের বিচারবোধ। ভালো ও মন্দের বিচারবোধকে ঘিরে মানুষের বিবেক তৈরি হয়। সঠিক বিবেকবোধ দ্বারা পরিচালিত মানুষ হলো পবিত্র মানুষ। পবিত্র আত্মা গড়ে েেতালে প্রকৃত বিবেক। পবিত্র আত্মা দ্বারা পরিচালিত মানুষই সত্যিকারভাবে স্বাধীন বা মুক্ত মানুষ। 

মূলকথা: ভালো ও মন্দকে পৃথক করার ক্ষমতাই হলো ভালো ও মন্দের বিচারবোধ।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...